স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি নির্মানের কাজ পাঁচ বছর আগে শুরু হলেও শেষ হয়নি চার ভাগের একভাগ কাজ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই কাজ করা নিয়ে গাফিলতি করে আসছে। কয়েক হাজার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ এই সড়কটি। তবে এতদিন পরেও কাজ ফেলে রাখা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন ব্যাবস্থা। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকার পর ঈদুল ফিতরের আগে মাত্র অর্ধ-কিলোমিটার সড়কে খোয়া ফেলে উধাও হয়ে যায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে রাস্তায় যে খোয়া ফেলা হয়েছে সেখানেও ব্যাবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট। সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এলাকার মানুষসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যাওয়া আসায় পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহীন হাওলাদার বলেন, ‘ মিল্টন নামের এক ঠিকাদার এর আগেও দু’টি প্রকল্পের কাজ নিয়ে গাফিলতি করেছে এবং দীর্ঘদিন ফেলেও রেখেছিলেন। তারপরও তাকে ফের কাজ দেওয়া হয়েছে কেন এটা আমার বুঝে আসছে না। তার মতো ঠিকাদারকে কাজ দেয় আজ কয়েকটি এলাকার জনমানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এলাকার মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়’।
বরিশাল কোহিনুর অ্যান্ড রুটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ঠিকাদার মোঃ মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, ‘করোনার মহামারী ও আম্পানসহ প্রাকৃতিক দূরে্যাগে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব হয়েছে। শিগগিরিই এ কাজটি সম্পন্ন করে ফেলবো’।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ লতিফ হোসেন বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না আপনি কোন সড়কের কথা বলছেন। একটু কষ্ট করে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করেন।’
এ ব্যাপারে জানতে বাউফল উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান হোসেনকে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রধান সম্পাদক কামরুজ্জামান বাচ্চু
আরিফুল ইসলাম সাগর কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
ঠিকানাঃ গোলাবাড়ি, বাউফল ,পটুয়াখালী
ইমেইলঃ khoborbauphalnews@gmail.com
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত