পটুয়াখালীর বাউফলে ডাক্তার পরিচয়ে ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠান খুলে চক্ষু চিকিৎসা দিচ্ছেন এক মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দম্পতি। চোখের পরীক্ষা থেকে শুরু করে অপারেশন সবই করতে পারেন বলে চালানো হয় প্রচারণাও করছেন। বহুদিন ধরে গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা চললেও প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।
জয়পুরহাটের মো. রাকিব মিয়া ও তার স্ত্রী রাজশাহীর জান্নাতুল ফেরদৌস যথাক্রমে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বিএমডিসি সনদ পান। তারা তিন বছর মেয়াদি মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এরপর স্থানীয় এক যুবক রাব্বির সহযোগিতায় দাশপাড়া ইউনিয়নের ল্যাঙরা মুন্সির পুল এলাকায় ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামে কেন্দ্র খুলে সাধারণ মানুষের চোখের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
সরেজমিনে তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকিব মিয়া বলেন, তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ‘এশিয়া ডিজিটাল চক্ষু হাসপাতালে’ মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। সেই হাসপাতালের অধীনে বাউফলে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন। তবে চাকরির কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় আমার করণীয় কী—সে ধরনের কোনো নির্দেশনা আমার কাছে নেই। আপনি ইউএনও বা এসিল্যান্ডকে জানান।”
অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান বলেন, “এমবিবিএস চিকিৎসক ছাড়া চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র চালানোর সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রধান সম্পাদক কামরুজ্জামান বাচ্চু
আরিফুল ইসলাম সাগর কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
ঠিকানাঃ গোলাবাড়ি, বাউফল ,পটুয়াখালী
ইমেইলঃ khoborbauphalnews@gmail.com
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত