পটুয়াখালীর বাউফলে নাসির সিকদার ও শাজাহান সিকদারের করা অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বেল্লাল আকন ও রেজাউল। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে গত ৫ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তারা।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ল্যাংড়া মুন্সি এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বেল্লাল আকন বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তিনি বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেবেন। তবে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে তার সামাজিক মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বেল্লাল আকন আরও বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নাসির সিকদারের সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে। জমি বুঝিয়ে দেওয়া ও টাকা পরিশোধের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি ও স্থানীয় দোকানদার ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে রেজাউল বলেন, বেল্লাল আকন ও নাসির সিকদারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় নাসির সিকদার তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে ‘ছোটলোক’ বলে আখ্যায়িত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে তাকে আঘাতের চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করেন রেজাউল। নাসির সিকদারের সঙ্গে তার আগে কোনো বিরোধ ছিল না বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত এক অটোচালক দাবি করেন, তিনি রেজাউলের দোকানে পান খেতে গিয়ে বেল্লাল ও নাসিরকে জমির দলিল সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে দেখেছেন। তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলেও কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে দেখেননি বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বেল্লাল আকন ও রেজাউল তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তাদের মানহানি করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
প্রধান সম্পাদক কামরুজ্জামান বাচ্চু
আরিফুল ইসলাম সাগর কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
ঠিকানাঃ গোলাবাড়ি, বাউফল ,পটুয়াখালী
ইমেইলঃ khoborbauphalnews@gmail.com
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত