জামিনে মুক্ত পেলেন ইউপি চেয়ারম্যান
- আপডেট সময় : ০৭:০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩
- / ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাগার থেকে জামিন মুক্তি পেয়েছেন চন্দ্রদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাছ।
মঙ্গলবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. জামাল হোসেন এ জামিন আদেশ দেন। একই মামলায় ছাত্রলীগ নেতা লিমনও জামিন পেয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. আবুল কাশেম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৭মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান, ওসি, সাংবাদিক সহ অত্যন্ত ৩০জন আহত হয়। ওই সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার আহত হওয়ার ঘটনায় দিদারুল নামের এক ব্যক্তি একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ, চন্দ্রদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হকসহ ১৬জনকে আসামি করা হয়। মামলার ১৪জন আসামি উচ্চ আদালতের ৬সপ্তাহের আগাম জামিনে মুক্ত ছিলেন। গত ১৭ মে মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল আহম্মেদ, দ্বিতীয় আসামি এনামুল হকসহ ১০ আসামি পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক এনামুল হক, সফি হাওলাদার, লিমন ও মোহনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ফয়সাল আহম্মেদ সহ ৬জনের জামিন দেন। জেলে থাকা ৪জনের জন্য একই বিচারকের আদালতে জামিন আবেদন করলে মঙ্গলবার (২৩ মে) শুনানি শেষে ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক ও কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মো. লিমনের জামিন মঞ্জুর করেন। অপর দুই আসামি কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি শফিউল আলম ও মোহনের জামিন না মঞ্জুর করেন।
এর আগে একই মামলায় গতকাল সোমবার উচ্চ আদালতের আগাম জামিন শেষে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সামসুল কবির নিশাত,নাজিরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মো. সিরাজ, ও ইভান পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক সিরাজ হোসেনকে কারাগারে প্রেরণ করে। বাকি তিন আসামিকে জামিন দেন।










