ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলের সূর্যমণি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৫ নম্বর সূর্যমণি ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন প্রাণের স্পন্দন।

ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, আদর্শ ও জনকল্যাণমুখী জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় জনপ্রিয় বিএনপি নেতা ও শিক্ষাবিদ মো. মাসুদুর রহমান।

তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই এলাকার সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

​মো. মাসুদুর রহমান পেশাগত জীবনে একজন সফল ও সম্মানিত শিক্ষক। তিনি স্বনামধন্য নওমালা আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সুনামের সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বাউফল উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শিক্ষকতা ও রাজনীতির সুদীর্ঘ পথচলায় তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে সবসময় পাশে থেকেছেন, যা তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে এক আস্থাভাজন ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

​উন্নয়ন ও সুশাসনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা
​সূর্যমণি ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তর করতে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী কিছু পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মো. মাসুদুর রহমান।

তাঁর উন্নয়ন রূপরেখার প্রধান দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—
​মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন: যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে এলাকা থেকে মাদক, জুয়া, চুরি-ডাকাতি ও সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করা।

​ইউনিয়ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান বৃদ্ধি, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

টেকসই উন্নয়নের জন্য ভাঙা রাস্তাঘাট পাকাকরণ, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ এবং খালের সংস্কারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা।
​
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সব নাগরিক সেবা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভিজিডি-ভিজিএফ কার্ড বিতরণ এবং সরকারি অনুদান প্রদান সম্পূর্ণ স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত রেখে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
​
দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সালিশ-দরবারে কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

নিজের রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে মো. মাসুদুর রহমান বলেন,​”আমি কোনো ব্যক্তিগত ক্ষমতার লোভে নয়, সূর্যমণি ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই ইউনিয়নটি কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায়, একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও বৈষম্যহীন সমাজ চায়। শিক্ষকতা পেশার মাধ্যমে যেমন আমি তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখানোর চেষ্টা করেছি, ঠিক তেমনি আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সূর্যমণিকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি মানে শাসক নয়, জনপ্রতিনিধি হলো জনগণের বিশ্বস্ত সেবক।
​আমাদের তারুণ্যের শক্তি এবং প্রবীণদের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে আমরা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ব। অতীতেও আমি জনগণের সুখে-দুখে ছিলাম, ভবিষ্যতেও আজীবন তাদের পাশেই থাকব। আমার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র ব্রত ও প্রত্যয় হলো— ‘মানুষের পাশে থাকব, উন্নয়নের পথেই চলব।’ ইনশাআল্লাহ, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও মূল্যবান পরামর্শ নিয়ে আমরা একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সূর্যমণি ইউনিয়ন উপহার দেব।”

​সূর্যমণি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মো. মাসুদুর রহমানের মতো একজন সৎ, শিক্ষিত ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলে এলাকার সামগ্রিক চিত্র বদলে যাবে। এলাকার তরুণ ও প্রবীণ ভোটাররা তাঁকে একজন আদর্শ নেতা হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলের সূর্যমণি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদুর রহমান

আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৫ নম্বর সূর্যমণি ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন প্রাণের স্পন্দন।

ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, আদর্শ ও জনকল্যাণমুখী জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় জনপ্রিয় বিএনপি নেতা ও শিক্ষাবিদ মো. মাসুদুর রহমান।

তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই এলাকার সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

​মো. মাসুদুর রহমান পেশাগত জীবনে একজন সফল ও সম্মানিত শিক্ষক। তিনি স্বনামধন্য নওমালা আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সুনামের সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বাউফল উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শিক্ষকতা ও রাজনীতির সুদীর্ঘ পথচলায় তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে সবসময় পাশে থেকেছেন, যা তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে এক আস্থাভাজন ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

​উন্নয়ন ও সুশাসনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা
​সূর্যমণি ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তর করতে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী কিছু পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মো. মাসুদুর রহমান।

তাঁর উন্নয়ন রূপরেখার প্রধান দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—
​মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন: যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে এলাকা থেকে মাদক, জুয়া, চুরি-ডাকাতি ও সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করা।

​ইউনিয়ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান বৃদ্ধি, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

টেকসই উন্নয়নের জন্য ভাঙা রাস্তাঘাট পাকাকরণ, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ এবং খালের সংস্কারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা।
​
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সব নাগরিক সেবা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভিজিডি-ভিজিএফ কার্ড বিতরণ এবং সরকারি অনুদান প্রদান সম্পূর্ণ স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত রেখে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
​
দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সালিশ-দরবারে কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

নিজের রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে মো. মাসুদুর রহমান বলেন,​”আমি কোনো ব্যক্তিগত ক্ষমতার লোভে নয়, সূর্যমণি ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই ইউনিয়নটি কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায়, একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও বৈষম্যহীন সমাজ চায়। শিক্ষকতা পেশার মাধ্যমে যেমন আমি তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখানোর চেষ্টা করেছি, ঠিক তেমনি আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সূর্যমণিকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি মানে শাসক নয়, জনপ্রতিনিধি হলো জনগণের বিশ্বস্ত সেবক।
​আমাদের তারুণ্যের শক্তি এবং প্রবীণদের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে আমরা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ব। অতীতেও আমি জনগণের সুখে-দুখে ছিলাম, ভবিষ্যতেও আজীবন তাদের পাশেই থাকব। আমার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র ব্রত ও প্রত্যয় হলো— ‘মানুষের পাশে থাকব, উন্নয়নের পথেই চলব।’ ইনশাআল্লাহ, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও মূল্যবান পরামর্শ নিয়ে আমরা একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সূর্যমণি ইউনিয়ন উপহার দেব।”

​সূর্যমণি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মো. মাসুদুর রহমানের মতো একজন সৎ, শিক্ষিত ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলে এলাকার সামগ্রিক চিত্র বদলে যাবে। এলাকার তরুণ ও প্রবীণ ভোটাররা তাঁকে একজন আদর্শ নেতা হিসেবে দেখছেন।