ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে কৃষকলীগ নেতাকে পেটালেন এমপির ভাতিজা, গ্রেপ্তার-১

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হাওলাদারের উপর হামলার প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়ায় এক কৃষকলীগ নেতাকে মারধর ও তার বসতঘরে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধায় উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের মার্সেন্টপট্টি এলাকায় জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল কামাল পল্টুর ওপরে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়। এসময় তিনি দৌড়ে বাসায় ঢুকলে তার বসতঘরেও হামলা চালায় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের ভাতিজা ও কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাসহ তার অনুসারীরা।

এ ঘটনায় কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাসহ ১১ জন সহ অজ্ঞাতনামায় ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী রেজাউল কামাল পল্টু।

এদিকে এঘটনায় জরিত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদনান নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বাউফল থানা পুলিশ। আদনান কালাইয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার মাগরিব নামাজ শেষে বাসায় যাচ্ছিলেন রেজাউল কামাল পল্টু। এসময় সংসদ সদস্যের ভাতিজা ও ইউপি চেয়ারম্যান মনির মোল্লার নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল তার পথ রোধ করে লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। সে নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে নিজের বসতঘরে প্রবেশ করলে হামলাকারীরা বাসায় ভাংচুর করে ভিতরে প্রবেশ করে তাকে ফের পিটায়। তখন তাকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাকে পিটিয়ে আহত করে হামলাকারীরা।

আহত কৃষকলীগ নেতা রেজাউল কামাল পল্টু বলেন,‘ আমাদের নেতা মোতালেব হাওলাদারের ওপর আ স ম ফিরোজের গুন্ডা বাহিনী দ্বারা হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে আমি অংশগ্রহণ করি। এসময় আমি বক্তব্যে হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করি। এর জের ধরে আ স ম ফিরোজের ভাতিজা চেয়ারম্যান মনির মোল্লা আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা করে। আমি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় আছি, সুষ্ঠ বিচারের দাবি করছি।’

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন বলেন,‘ এঘটনায় মামলা হয়েছে ইতিমধ্যে আদনান নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে কৃষকলীগ নেতাকে পেটালেন এমপির ভাতিজা, গ্রেপ্তার-১

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হাওলাদারের উপর হামলার প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়ায় এক কৃষকলীগ নেতাকে মারধর ও তার বসতঘরে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধায় উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের মার্সেন্টপট্টি এলাকায় জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল কামাল পল্টুর ওপরে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়। এসময় তিনি দৌড়ে বাসায় ঢুকলে তার বসতঘরেও হামলা চালায় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের ভাতিজা ও কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাসহ তার অনুসারীরা।

এ ঘটনায় কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাসহ ১১ জন সহ অজ্ঞাতনামায় ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী রেজাউল কামাল পল্টু।

এদিকে এঘটনায় জরিত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদনান নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বাউফল থানা পুলিশ। আদনান কালাইয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার মাগরিব নামাজ শেষে বাসায় যাচ্ছিলেন রেজাউল কামাল পল্টু। এসময় সংসদ সদস্যের ভাতিজা ও ইউপি চেয়ারম্যান মনির মোল্লার নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল তার পথ রোধ করে লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। সে নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে নিজের বসতঘরে প্রবেশ করলে হামলাকারীরা বাসায় ভাংচুর করে ভিতরে প্রবেশ করে তাকে ফের পিটায়। তখন তাকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাকে পিটিয়ে আহত করে হামলাকারীরা।

আহত কৃষকলীগ নেতা রেজাউল কামাল পল্টু বলেন,‘ আমাদের নেতা মোতালেব হাওলাদারের ওপর আ স ম ফিরোজের গুন্ডা বাহিনী দ্বারা হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে আমি অংশগ্রহণ করি। এসময় আমি বক্তব্যে হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করি। এর জের ধরে আ স ম ফিরোজের ভাতিজা চেয়ারম্যান মনির মোল্লা আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা করে। আমি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় আছি, সুষ্ঠ বিচারের দাবি করছি।’

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন বলেন,‘ এঘটনায় মামলা হয়েছে ইতিমধ্যে আদনান নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’