ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিভাবক সদস্য ও সহকারি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

রবিউল হাসান ডব্লিউ,দশমিনা(পটুয়াখালী)
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা এক মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য ও কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার চরশাহজালাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোঃফিরোজ আলমকে চাকরি ও এনটিআরসি(নিবন্ধন) দেয়ার কথা বলে ২লক্ষ ৪ হাজার টাকা নেয় আদমপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক(বাংলা) মোঃ হানিফ । এ ঘটনায় মোঃ ফিরোজ আলম ২৯ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ আমলে নিয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও একাডেমিক সুপারভাইজার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

অপর দিকে ২৫ জানুয়ারি চরশাহজালাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিমকে নানান ভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি এবং সভাপতি ও অবৈতনিক প্রধান শিক্ষক দাবি করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আদমপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক(বাংলা) মোঃ হানিফ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেনে। এ অভিযোগের আমলে নিয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

গত ১৫ জানুয়ারি উপজেলার বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাসপাড়া আঃ গনি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ৩১ ডিসেম্বর মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেট জরুরী সভা আহবান করলে ওই সভায় অভিভাবক সদস্য ও ১৪৫ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলাম সাহিদ সহ সুপার মজিবুর রহমানকে লাথি মেরে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া এবং অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করার ঘটনায় বাদি হয়ে অভিযোগ দাখিল করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা নাজ নীরা বরাবর।অভিযোগ আমলে নিয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য বিভাগকে নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) নাফিসা নাজ জানান, তিনটি অভিযোগ পেয়েছি । তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন আসলে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অভিভাবক সদস্য ও সহকারি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা এক মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য ও কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার চরশাহজালাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোঃফিরোজ আলমকে চাকরি ও এনটিআরসি(নিবন্ধন) দেয়ার কথা বলে ২লক্ষ ৪ হাজার টাকা নেয় আদমপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক(বাংলা) মোঃ হানিফ । এ ঘটনায় মোঃ ফিরোজ আলম ২৯ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ আমলে নিয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও একাডেমিক সুপারভাইজার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

অপর দিকে ২৫ জানুয়ারি চরশাহজালাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিমকে নানান ভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি এবং সভাপতি ও অবৈতনিক প্রধান শিক্ষক দাবি করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আদমপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক(বাংলা) মোঃ হানিফ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেনে। এ অভিযোগের আমলে নিয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

গত ১৫ জানুয়ারি উপজেলার বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাসপাড়া আঃ গনি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ৩১ ডিসেম্বর মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেট জরুরী সভা আহবান করলে ওই সভায় অভিভাবক সদস্য ও ১৪৫ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলাম সাহিদ সহ সুপার মজিবুর রহমানকে লাথি মেরে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া এবং অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করার ঘটনায় বাদি হয়ে অভিযোগ দাখিল করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা নাজ নীরা বরাবর।অভিযোগ আমলে নিয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য বিভাগকে নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) নাফিসা নাজ জানান, তিনটি অভিযোগ পেয়েছি । তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন আসলে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।