ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় খাস কামারায় বসে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪১৫ বার পড়া হয়েছে

বাউফল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ নজরুল ইসলাম এজলাসে বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করেননা। দলিল রেজিস্ট্রেশন করেন তার খাস কামারায় বসে। বিধি অনুযায়ির তিনি এ কাজটি করতে পারেননা বলে জানিয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিধি অনুযায়ি এজলাসে বসে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জমি রেজিস্ট্রেশন করার সময় দাতা, গ্রহীতা ছাড়াও সনাক্তকারী বা পরিচিতকারীকে এজলাসের সামনে উপস্থিত থেকে তাদের মুখোচ্ছবি প্রদর্শন করতে হয়। যা রেজিস্ট্রেশনের অপেক্ষায় থাকায় দলিলের সাথে সংযুক্ত দাতা ও গ্রহীতার ছবির সাথে প্রকাশ্যে মেলানো হয় এবং সনাক্তকারী বা পরিচিকারীর বয়ান শোনার পর ওই দলিলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। যা সাব রেজিস্ট্রারের খাস কামারায় বসে করা সম্ভব নয়।

এ ভাবে দলিল রেজিস্ট্রেশন করলে জাল-জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার আইনের তোয়াক্কা না করে খাস কামরায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন। রবিবার (২৫ ফেব্রæয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে এজলাসের পরিবর্তে খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, অফিসে সিসি ক্যামেরার কাজ চলায় এজলাসে বসতে পারেননি। তাই খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, দলিল নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল কাজ অবশ্যই এজলাসে বসে করতে হবে, এর বাইরে কোনো সুযোগ নেই। ব্যক্তিগত কাজ তিনি খাস কামারায় করতে পারেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় খাস কামারায় বসে

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাউফল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ নজরুল ইসলাম এজলাসে বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করেননা। দলিল রেজিস্ট্রেশন করেন তার খাস কামারায় বসে। বিধি অনুযায়ির তিনি এ কাজটি করতে পারেননা বলে জানিয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিধি অনুযায়ি এজলাসে বসে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জমি রেজিস্ট্রেশন করার সময় দাতা, গ্রহীতা ছাড়াও সনাক্তকারী বা পরিচিতকারীকে এজলাসের সামনে উপস্থিত থেকে তাদের মুখোচ্ছবি প্রদর্শন করতে হয়। যা রেজিস্ট্রেশনের অপেক্ষায় থাকায় দলিলের সাথে সংযুক্ত দাতা ও গ্রহীতার ছবির সাথে প্রকাশ্যে মেলানো হয় এবং সনাক্তকারী বা পরিচিকারীর বয়ান শোনার পর ওই দলিলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। যা সাব রেজিস্ট্রারের খাস কামারায় বসে করা সম্ভব নয়।

এ ভাবে দলিল রেজিস্ট্রেশন করলে জাল-জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার আইনের তোয়াক্কা না করে খাস কামরায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন। রবিবার (২৫ ফেব্রæয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে এজলাসের পরিবর্তে খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, অফিসে সিসি ক্যামেরার কাজ চলায় এজলাসে বসতে পারেননি। তাই খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, দলিল নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল কাজ অবশ্যই এজলাসে বসে করতে হবে, এর বাইরে কোনো সুযোগ নেই। ব্যক্তিগত কাজ তিনি খাস কামারায় করতে পারেন।