আ’লীগ নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল মালেকের অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০৭:০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৯৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা আব্দুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ, নিষিদ্ধঘোষিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদার ভাগ্নি জামাই আব্দুল মালেকের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গভর্নিং বডির সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. নাসির উদ্দিন এ সংবাদ সম্মপলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. নাসির উদ্দিন বলেন, অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক গোপনে ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে একক কর্তৃত্বে গভর্নিং বডি গঠন করেছেন। তিনি সহকারী অধ্যাপক থেকে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের মাধ্যমে সহকারী অধ্যাপকের বেতন-ভাতা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে উপাধ্যক্ষ পদে বেতন কোডে না গিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ লাভ ও বেতন উত্তোলন করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও বলা হয়, সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ কর্তৃক ডিগ্রি কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক যারা করোনাকালীন সময় ভাতা উত্তোলন করেছেন, তাদের নাম বাদ দিয়ে সাবেক ওই অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যানিং করে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে বিধি বহির্ভূতভাবে অনেক শিক্ষককে বিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে পদার্থ বিজ্ঞানের লিমন, লাইব্রেরিয়ান বাহাউদ্দিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির মো: মাসুদসহ আরও অনেক শিক্ষককে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএসসি ও বিকম শাখায় কাম্যসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পতিত কাগজপত্র সংগ্রহ করে ভুয়া ভর্তি দেখানো হয়েছে, যারা প্রকৃতপক্ষে কোনো পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেন না। ফলে বিষয়ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর চেয়ে শিক্ষক বেশি নিয়োগ দেওয়া ও এমপিওভুক্ত করা হয়েছে এবং আরও শিক্ষক বিলের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, কলেজের আয় ও ব্যয় সম্পর্কে শিক্ষক, কর্মচারী কিংবা গভর্নিং বডির কোনো সদস্য কিছুই জানেন না। কোনো অনুমোদন না নিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল তৈরি করা হয়েছে এবং বিগত সরকারের আমলে কলেজের প্রায় ৩০০টি বিভিন্ন জাতের দামি গাছ নিয়ম বহির্ভূতভাবে কেটে বিক্রি করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক (অব) বিএনপি নেতা ইউনুস মৃধা,নওমাল ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মো. জাকির হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.জালাল মৃধা,ইউনিয়ন বিএনপি’র ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি আলমগীর বিশ্বাস, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মৃধা।
উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও তার দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


















