বাউফলে তিন ইউনিয়নে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে গুঞ্জন, প্রার্থী হতে পারেন উপজেলার তিন জামায়াত নেতা
- আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৭৭০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পরিচিত তিন নেতার চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন চলছে। আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক খালিদুর রহমান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ও উপজেলা জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা এস ডি আব্দুল্লাহ শিবলী।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ০৫ নং সূর্যমনি ইউনিয়নে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও কালিশুরী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খালিদুর রহমান, ০৯ নং নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠী ইউনিয়নে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম এবং ০৬ নং কনকদিয়া ইউনিয়নে উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি ও ইসলামী বক্তা মাওলানা এস ডি আব্দুল্লাহ শিবলীর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এবং এই তিন প্রার্থীর অনুসারীরা বিভিন্ন প্রচারণা চালালেও তারা সরাসরি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেননি ধারণা করা হচ্ছে দলীয় ঘোষণা ব্যতীত তারা নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাবেন না, কেবলমাত্র দলীয় ঘোষণা আসলেই তারা প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাবেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জামায়াত নেতা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয়ভাবে একজন করে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির তবে এই তিন নেতা দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম আলোচনায় থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংগঠনটি ।
সম্ভাব্য প্রার্থিতার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা এস ডি আব্দুল্লাহ শিবলী বলেন, “সংগঠনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমি এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রস্তুতি নেইনি এবং ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনের করার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা করছিনা, তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে যে নির্দেশনা আসবে, আমি তা মেনে নেব এবং সংগঠনের আনুগত্য করবো ইনশাআল্লাহ, সংগঠন যার জন্য এবং যেভাবে, যে কাজ করতে বলবে করবো,ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় দায়িত্বশীল, বাউফলের বাইরে অবস্থানরত সংগঠনের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল এবং উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে জেলা সংগঠন প্রার্থী ঘোষণা করবেন। যাঁকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে, সবাই তাঁর পক্ষে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, “যেসব ইউনিয়নে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, সেখানে একাধিক নাম শোনা গেলেও সংগঠন সার্বিক বিবেচনায় যাঁকে মনোনয়ন দেবে, সবাই তাঁর হয়ে কাজ করবেন। আমাদের মধ্যে কোনো প্রকার গ্রুপিং নেই,আলহামদুলিল্লাহ।”
সূর্যমনি ও নাজিরপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে একই সাংগঠনিক নীতি প্রযোজ্য। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হলে তা জানা যাবে, তবে অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক খালিদুর রহমান ভাই নিজ নিজ ইউনিয়নের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলেও তিনি দাবী করেন।
এদিকে তিন নেতার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা থাকলেও দলীয় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি গুঞ্জন হিসেবেই থাকছে।











