ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগে কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৫২০ বার পড়া হয়েছে

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের”জনতা ভবন” ডিজিটাল সাইনবোর্ডটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের ব্যক্তিগত জায়গায় এ কার্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। নাম করণ করা হয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়”জনতা ভবন” এ কার্যালয় বসেই দলের কার্যক্রম পরিচলিত হয়ে আসছিল। হঠাৎ করে সাইনবোর্ডটি চুরি হওয়ার ঘটনায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর আলাদা আলাদা ভাবে দকূয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

আসম ফিরোজ এমপি জনতা ভবনে, মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল কুন্ডপট্রি কার্যালয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত করে আসলেও দলের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদারের আলাদা কোন কার্যালয় নেই। তিনি নিজেরমত করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, শুক্রবার ভোররাতে জনতা ভবনের সামনে সাটানো আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ডিজিটাল সাইনবোর্ডটি কেবা কারা খুলে নিয়ে যায়।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শামসুল কবির নিসাত বলেন, ওই রাতে দূর থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ৪-৫ জন লোক জনতা ভবনের সামনে সাটানো আওয়ামী লীগ কার্যলয়ের সাইনবোর্ডটি খুলে নিয়ে যাচ্ছে। তারা একটি সূত্র থেকে ভিডিওটা পেয়েছেন। তবে ভিডিওতে কারো চেহারা স্পষ্ট করে বোঝা যাচ্ছেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগে কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা

আপডেট সময় : ০১:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের”জনতা ভবন” ডিজিটাল সাইনবোর্ডটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের ব্যক্তিগত জায়গায় এ কার্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। নাম করণ করা হয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়”জনতা ভবন” এ কার্যালয় বসেই দলের কার্যক্রম পরিচলিত হয়ে আসছিল। হঠাৎ করে সাইনবোর্ডটি চুরি হওয়ার ঘটনায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর আলাদা আলাদা ভাবে দকূয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

আসম ফিরোজ এমপি জনতা ভবনে, মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল কুন্ডপট্রি কার্যালয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত করে আসলেও দলের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদারের আলাদা কোন কার্যালয় নেই। তিনি নিজেরমত করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, শুক্রবার ভোররাতে জনতা ভবনের সামনে সাটানো আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ডিজিটাল সাইনবোর্ডটি কেবা কারা খুলে নিয়ে যায়।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শামসুল কবির নিসাত বলেন, ওই রাতে দূর থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ৪-৫ জন লোক জনতা ভবনের সামনে সাটানো আওয়ামী লীগ কার্যলয়ের সাইনবোর্ডটি খুলে নিয়ে যাচ্ছে। তারা একটি সূত্র থেকে ভিডিওটা পেয়েছেন। তবে ভিডিওতে কারো চেহারা স্পষ্ট করে বোঝা যাচ্ছেনা।