ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে চায়না দুয়ারি জাল দেখে ধ্বংস করলেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ। পরিদর্শনে গিয়ে চায়না দুয়ারি জাল দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জালটি ধ্বংস করেন তিনি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কালাইয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনকালে একটি চায়না দুয়ারি জাল দেখতে পান ইউএনও। পরে সেটি উদ্ধার করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।

এ সময় ইউএনও সালেহ আহমেদ বলেন, “যেখানে চায়না দুয়ারি জাল, সেখানেই ধ্বংস করতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলেই এই মৎস্য সম্পদ রক্ষা সম্ভব। আজ কালাইয়া ইউনিয়নে পরিদর্শনে গিয়ে জাল দেখে সাথে সাথেই ধ্বংস করি।”

তিনি বলেন, অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে বাউফলের নদী-খাল ও জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে চায়না দুয়ারি জাল দেখে ধ্বংস করলেন ইউএনও

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ। পরিদর্শনে গিয়ে চায়না দুয়ারি জাল দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জালটি ধ্বংস করেন তিনি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কালাইয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনকালে একটি চায়না দুয়ারি জাল দেখতে পান ইউএনও। পরে সেটি উদ্ধার করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।

এ সময় ইউএনও সালেহ আহমেদ বলেন, “যেখানে চায়না দুয়ারি জাল, সেখানেই ধ্বংস করতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলেই এই মৎস্য সম্পদ রক্ষা সম্ভব। আজ কালাইয়া ইউনিয়নে পরিদর্শনে গিয়ে জাল দেখে সাথে সাথেই ধ্বংস করি।”

তিনি বলেন, অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে বাউফলের নদী-খাল ও জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।