ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বাউফলে রাতের আঁধারে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৪২৮ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নে সরকারি খাস জমি দখল করে একটি দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) গভীর রাতে ধূলিয়া স্কুল সংলগ্ন হাসপাতাল রোডের খাস জমিতে এ দোকান ঘরটি নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাদের কারি ও হাসান নামের দুই ব্যক্তি যৌথভাবে এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ধূলিয়া ইউনিয়নের সরকারি খাস জমি দখল করে নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। এতে সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে দখলকারী হাসান বলেন, খালের পারে অন্তত ৪০টি দোকান সরকারি জমি দখল করে তোলা হয়েছে। ৪০ বছর আগে আমার বাবারও এখানে একটি দোকান ছিল। সেটি ভেঙে যাওয়ায় আমার বড় ভাই নতুন করে দোকান ঘর তুলেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে রাতের আঁধারে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নে সরকারি খাস জমি দখল করে একটি দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) গভীর রাতে ধূলিয়া স্কুল সংলগ্ন হাসপাতাল রোডের খাস জমিতে এ দোকান ঘরটি নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাদের কারি ও হাসান নামের দুই ব্যক্তি যৌথভাবে এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ধূলিয়া ইউনিয়নের সরকারি খাস জমি দখল করে নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। এতে সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে দখলকারী হাসান বলেন, খালের পারে অন্তত ৪০টি দোকান সরকারি জমি দখল করে তোলা হয়েছে। ৪০ বছর আগে আমার বাবারও এখানে একটি দোকান ছিল। সেটি ভেঙে যাওয়ায় আমার বড় ভাই নতুন করে দোকান ঘর তুলেছেন।