ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলের কেশবপুর ইউপি উপ নির্বাচন চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • / ৪০২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক অপুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে তুহিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক অপু একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করছেন। বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও আওয়ামীলীগের নাম ভাঙিয়ে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন। বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পোষ্টার ছিড়ে ফেলছেন। ১০/১২ টি নির্বাচনী অফিস ব্যবহার করছেন এবং একাধিক মাইক দিয়ে প্রচার করছেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের শামিল।

চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন বলেন, এনামুল হক অপু তার ভাড়াটে লোক দিয়ে আমার সমর্থকদের মারধর করে ভোটের মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাজেমহল গ্রামের শারমিন নামের এক সমর্থককে বৃহস্পতিবার মারধর করা হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। এ অবস্থায় সুষ্ঠ ভোট অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে এনামুল হক অপু বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলের কেশবপুর ইউপি উপ নির্বাচন চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক অপুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে তুহিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক অপু একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করছেন। বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও আওয়ামীলীগের নাম ভাঙিয়ে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন। বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পোষ্টার ছিড়ে ফেলছেন। ১০/১২ টি নির্বাচনী অফিস ব্যবহার করছেন এবং একাধিক মাইক দিয়ে প্রচার করছেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের শামিল।

চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন বলেন, এনামুল হক অপু তার ভাড়াটে লোক দিয়ে আমার সমর্থকদের মারধর করে ভোটের মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাজেমহল গ্রামের শারমিন নামের এক সমর্থককে বৃহস্পতিবার মারধর করা হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। এ অবস্থায় সুষ্ঠ ভোট অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে এনামুল হক অপু বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে।