ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ধর্মীয় শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী বাউফলে শহিদ মিনারের বেদীতে জুতা পায়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে এক স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবারে সকালে উপজেলার আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে

স্থানীয়রা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বুধবারে সকালে বাউফল উপজেলার বাউফল ইউনিয়নের আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। সময় স্কুলে নির্মিত শহিদ মিনারের বেদীতে ওইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মান্নান জুতা পায়ে উঠে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং কয়েকটি ছবি তুলে অন্য এক শিক্ষক তারনিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন।

জুতা পায়ে শহিদ বেদীতে ফুল দেওয়ার আরও কয়েকটি ছবি স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির ফেসবুক পেজে আপলোড করা হলে নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়।

বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মান্নান  বলেন, আমার পায়ে সমস্যা ছিলো,আমি শহিদ মিনারে ছিলাম নাহ, নিচে ছিলাম।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, আমার জানা মতে জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ধর্মীয় শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পটুয়াখালী বাউফলে শহিদ মিনারের বেদীতে জুতা পায়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে এক স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবারে সকালে উপজেলার আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে

স্থানীয়রা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বুধবারে সকালে বাউফল উপজেলার বাউফল ইউনিয়নের আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। সময় স্কুলে নির্মিত শহিদ মিনারের বেদীতে ওইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মান্নান জুতা পায়ে উঠে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং কয়েকটি ছবি তুলে অন্য এক শিক্ষক তারনিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন।

জুতা পায়ে শহিদ বেদীতে ফুল দেওয়ার আরও কয়েকটি ছবি স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির ফেসবুক পেজে আপলোড করা হলে নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়।

বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মান্নান  বলেন, আমার পায়ে সমস্যা ছিলো,আমি শহিদ মিনারে ছিলাম নাহ, নিচে ছিলাম।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, আমার জানা মতে জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি