ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দশমিনায় এম.এইচ.ভি কর্মীদের মানববন্ধন

রবিউল হাসান ডব্লিউ,দশমিনা(পটুয়াখালী)
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি এ্যাসোসিয়োশন, দশমিনা শাখার  শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ।

বেলা ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি এ্যাসোসিয়োশন, দশমিনা শাখার উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন এম.এইচ.ভি কর্মীরা ।

মানববন্ধনে এম.এইচ.ভি কর্মীরা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা আমাদের দশমিনা উপজেলায় ১শত১৮ জন এম.এইচ.ভি কর্মী এক বছরের জন্য নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে ওই প্রকল্প আরো তিন বছরের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধি করেন।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ  এবং স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মানে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে করোনাকালীন সময় সহ স্বাস্থ্য সেবায় গ্রাম থেকে গ্রামে নিরলস সেবা প্রদান করি। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্প মেয়াদ শেষ হবার ঘোষা দেয়া হয়। মনবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে একটাই দাবি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও প্রকল্পে কর্মরত  ওই কর্মীদের  স্থায়ী করনের নিবেদন করছি।

বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি দশমিনা উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কর্মীরা বলেন, আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও স্থায়ী করনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক দিক বিবেচার আবেদন জানাই কারন এই প্রকল্পে কর্মরত থাকায় আমরা অন্য কোন কর্মসংস্থানের দিকে নজর দেইনি। আমাদের বর্তমানে অন্য কোন কর্মসংস্থানে যাওয়ার বয়স নেই তাই যাহাতে মা, বাবা, সন্তান পরিবারকে নিয়ে দুবেলা দুমুঠো খেতে পারি তাহার তাহার জন্য মানবতার মা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন।

এম.এইচ.ভি কর্মীদের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে  দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারি ও বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়োশন পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার এম.এইচ.ভি কর্মীদের নিয়োগ দানের পর দশমিনা উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই প্রকল্পের পরিচালকের কাছে অনুরোধ করবো মানবিক দিক বিবেচনায় প্রকল্পের ময়াদ বৃদ্ধি সহ এই সকল কর্মীদের স্বাস্থ্য সেবায় বহাল রাখলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। প্রধানমন্ত্রীর জিডিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দশমিনায় এম.এইচ.ভি কর্মীদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি এ্যাসোসিয়োশন, দশমিনা শাখার  শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ।

বেলা ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি এ্যাসোসিয়োশন, দশমিনা শাখার উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন এম.এইচ.ভি কর্মীরা ।

মানববন্ধনে এম.এইচ.ভি কর্মীরা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা আমাদের দশমিনা উপজেলায় ১শত১৮ জন এম.এইচ.ভি কর্মী এক বছরের জন্য নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে ওই প্রকল্প আরো তিন বছরের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধি করেন।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ  এবং স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মানে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে করোনাকালীন সময় সহ স্বাস্থ্য সেবায় গ্রাম থেকে গ্রামে নিরলস সেবা প্রদান করি। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্প মেয়াদ শেষ হবার ঘোষা দেয়া হয়। মনবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে একটাই দাবি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও প্রকল্পে কর্মরত  ওই কর্মীদের  স্থায়ী করনের নিবেদন করছি।

বাংলাদেশ এম.এইচ.ভি দশমিনা উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কর্মীরা বলেন, আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও স্থায়ী করনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক দিক বিবেচার আবেদন জানাই কারন এই প্রকল্পে কর্মরত থাকায় আমরা অন্য কোন কর্মসংস্থানের দিকে নজর দেইনি। আমাদের বর্তমানে অন্য কোন কর্মসংস্থানে যাওয়ার বয়স নেই তাই যাহাতে মা, বাবা, সন্তান পরিবারকে নিয়ে দুবেলা দুমুঠো খেতে পারি তাহার তাহার জন্য মানবতার মা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন।

এম.এইচ.ভি কর্মীদের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে  দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারি ও বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়োশন পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার এম.এইচ.ভি কর্মীদের নিয়োগ দানের পর দশমিনা উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই প্রকল্পের পরিচালকের কাছে অনুরোধ করবো মানবিক দিক বিবেচনায় প্রকল্পের ময়াদ বৃদ্ধি সহ এই সকল কর্মীদের স্বাস্থ্য সেবায় বহাল রাখলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। প্রধানমন্ত্রীর জিডিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।