ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউফলে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের চেষ্টা বাউফলে সাইকেলে সাংগঠনিক পথচলা ইউনিয়ন আমীর ও সেক্রেটারি, খুবই সাধারণ জীবনযাপন, নেই দল ও এমপির প্রতি কোনো অভিযোগ বাউফলে চোরাই দুই মহিষ উদ্ধার, ‘দাদা চোর চক্রের’ দুই সদস্য আটক WordCamp Central: WordCamp Sylhet 2026: No Swag, All Heart বাউফলের সূর্যমণি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদুর রহমান বাউফলে শনিবার সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে WPBeginner Spotlight 29: WPVibe Passes 100,000 Users, OptinMonster MCP, and an Urgent PHP Fix বাউফলে গালাগালিকে কেন্দ্র করে নারীদের সংঘর্ষ, আহত ৩ WordCamp Central: WordPress Campus Connect at Presidency University: Building Skills, Exploring Careers, and Inspiring the Next Generation Open Channels FM: Who Controls Our Software, Open Channels News Week in Review

দালালের খপ্পরে পরে বিদেশ গিয়ে নিঃস্ব সুদেব, দেশে ফিরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৪৭০ বার পড়া হয়েছে

সুদেব কুমার, নিজ গ্রামেরই এক দালালের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হয়েছেন। দুই বছরের চুক্তিতে সৌদিবআরব গিয়ে চাকরী করবেন, দুই হাত ভড়ে টাকা কামাবেন , কিন্তু তার সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। বরং দেশে ফিরে পাওনাদারের ভয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

আজ মঙ্গলবার (১১ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে সুদেব জানান,তিনি হতদরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। অভাব অনটন দূর করতে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে দুই বছরের ওয়ার্ক পারমিট (আকামা) দেয়া হবে এই চুক্তিতে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যান দালাল আলমগীর। কিন্তু তিন মাস পরেই ওই দালাল তাকে রেখে পালিয়ে যায়।

তখন দিশেহারা হয়ে পরেন সুদেব। পকেটে টাকা নেই, কি করে চলবে তার পেট। রমজান মাসে মসজিদের ইফতার খেয়ে ক্ষুদা নিবারণ করেছেন। রমাজান মাস শেষ হলে কি খাবেন ভেবে পাচ্ছিলেননা। সিদ্ধান্ত নেন বাড়ি ফেরার।

স্বজনরা ধারদেনা করে বিমান ভাড়ার টাকা পাঠান। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তিনি দেশে ফিরেন।

কিন্তু দেশে ফিরেও তিনি ভালো নেই। দেনা পরিশোধ করতে পারছেন না । পাওনাদারদের ভয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে আলমগীর হোসেন বলেন, সুদেবের অভিযোগ মিথ্যা। চুক্তি অনুযায়ী তাকে চাকরিও দেয়া হয়েছে।কিন্তু ৩ মাস পরে মালিক তাকে অন্য কোম্পানিতে চাকরিতে যেতে বললে তিনি রাজি হয়নি।

কিভাবে অন্যদের বিদেশে নেন জানতে চাইলে আলমগীর বলেন, আমার মালিক ৪ টা ভিসা দিয়েছিলো তাই গ্রামের ৪ টা ছেলেকে নিয়ে গেছিলাম। দুজন চলে এসেছে একজন এখনো সেখানে আছে। সুদেবের বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় ভাবে সালিশ বৈঠকে বসবেন বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দালালের খপ্পরে পরে বিদেশ গিয়ে নিঃস্ব সুদেব, দেশে ফিরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

আপডেট সময় : ০৮:১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুদেব কুমার, নিজ গ্রামেরই এক দালালের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হয়েছেন। দুই বছরের চুক্তিতে সৌদিবআরব গিয়ে চাকরী করবেন, দুই হাত ভড়ে টাকা কামাবেন , কিন্তু তার সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। বরং দেশে ফিরে পাওনাদারের ভয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

আজ মঙ্গলবার (১১ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে সুদেব জানান,তিনি হতদরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। অভাব অনটন দূর করতে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে দুই বছরের ওয়ার্ক পারমিট (আকামা) দেয়া হবে এই চুক্তিতে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যান দালাল আলমগীর। কিন্তু তিন মাস পরেই ওই দালাল তাকে রেখে পালিয়ে যায়।

তখন দিশেহারা হয়ে পরেন সুদেব। পকেটে টাকা নেই, কি করে চলবে তার পেট। রমজান মাসে মসজিদের ইফতার খেয়ে ক্ষুদা নিবারণ করেছেন। রমাজান মাস শেষ হলে কি খাবেন ভেবে পাচ্ছিলেননা। সিদ্ধান্ত নেন বাড়ি ফেরার।

স্বজনরা ধারদেনা করে বিমান ভাড়ার টাকা পাঠান। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তিনি দেশে ফিরেন।

কিন্তু দেশে ফিরেও তিনি ভালো নেই। দেনা পরিশোধ করতে পারছেন না । পাওনাদারদের ভয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে আলমগীর হোসেন বলেন, সুদেবের অভিযোগ মিথ্যা। চুক্তি অনুযায়ী তাকে চাকরিও দেয়া হয়েছে।কিন্তু ৩ মাস পরে মালিক তাকে অন্য কোম্পানিতে চাকরিতে যেতে বললে তিনি রাজি হয়নি।

কিভাবে অন্যদের বিদেশে নেন জানতে চাইলে আলমগীর বলেন, আমার মালিক ৪ টা ভিসা দিয়েছিলো তাই গ্রামের ৪ টা ছেলেকে নিয়ে গেছিলাম। দুজন চলে এসেছে একজন এখনো সেখানে আছে। সুদেবের বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় ভাবে সালিশ বৈঠকে বসবেন বলেও জানান তিনি।