প্রশংসাপত্রের ও মার্কশিট মূল্য ৪০০ টাকা!
- আপডেট সময় : ০২:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩
- / ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট ও প্রশংসাপত্রের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চারশত টাকা করে নেতা হচ্ছে। এনিয়ে অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কশিট ও প্রশংসা পত্রের জন্য টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী শিরিন বলেন,’শিক্ষক সমিতি থেকে মার্কশিটের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কালাইয়া হায়াতুন্নেসা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অন্যান্য বিদ্যালয় ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। আমার প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের বিষয় বিবেচনা করে ৪০০ টাকা করে নিচ্ছে।’
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১২০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০ টাকা করে আদায় করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তির জন্য বাধ্য হয়ে ধার্যকৃত টাকা দিয়ে মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র নিচ্ছে। বিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পুরোনো হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করা একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ‘তাদের কাছ থেকে চার’শ টাকা নেয়া হয়েছে। তাদের বলা হচ্ছে এটা সংরক্ষণ ফি বাবদ লাগবে। তবে টাকা নেয়ার কোনো রিসিভ চাইলে দিতে অস্বীকৃতি জানায় বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। টাকা ছাড়া কাউকে মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দেয়া হয় না।’
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুনতাসির তাসরিপ বলেন, ‘আমাদের সময়ও মার্কশিট ও প্রশংসা পত্রের জন্য টাকা নেয়া হয়েছিল। তবে আমরা ভয়ের কারণে প্রতিবাদ করতে পারিনি। জুনিয়রদের কাছে জেনেছি এবছরেও ৪০০ টাকা নেয়া হচ্ছে।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক জানান, ‘একসময়ের ঐতিহ্যবাহী এ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আমরা এই অবস্থা থেকে রেহাই পেতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক বলেন, ‘মার্কশিটের জন্য কোনো টাকা নেয়ার বিধান নেই। কোনো শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















এই বিষয় নতুন না আমার মনে হয় বাউফলের প্রতিটি স্কুল কলেজেই এই মার্কশিট বা প্রশংসাপত্র সংগ্রহ করতে টাকা দিতে হয়।
কিছুদিন আগে আমার কাজিন ও টাকা দিয়ে নিয়েছে।
কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর মত একটা প্রথিতযশা বিদ্যালয়ে এমন ঘটনার জন্য আমি প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে
এর নিন্দা জানাই।