বাউফলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো এখন আলোর বাতিঘর হয়ে উঠেছে
- আপডেট সময় : ০৪:৩২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
- / ৫৩৮ বার পড়া হয়েছে

প্রায় তিন মাস আগের ঘটনা। আমি জ্বরে আক্রান্ত, ডাক্তার দেহামু কিন্তু ঘরে টাহা নাই। হেই চিন্তা যহন মাথায় ঘুরপাক খাইছিল তহনই আমার মোবাইল ফোনডা বাইজা ওঠে। মোবাইল ধরার সাথে সাথে আমারে বলেন,আচ্ছালামু অলাইকুম, ‘আমি প্রধান শেখ হাসিনা বলছি, আপনার পাশেই কমিউনিটি ক্লিনিকে যান স্বাস্থ্য সেবা নেন ।’ এই কথা শোনার পরে আমি জ¦র নিয়া আমাগো চৌরাস্তায় যাই । গিয়া দেহি একটি বিল্ডিংয়ের মধ্যে দুইজন লোক বইসা আছে। তাদের আসপাশে কয়েকজন মানুষ আছে। চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমিও তাদের একজনকে দেহাইলাম। মোরে দেইখা বিনা পয়সায় ওষুধও দিলো । বাড়ি আইসা কয়েকদিন হেই ওষুধ খাইলাম, অহন মুই ভালো হইয়া গেছি । এহন আর জ¦র, ঠান্ডা লাগলে টাহা খরচ কইরা শহরে যাইতে হয়না । বাড়ি অদূরে কমিউিনিটি ক্লিনিকে যাই। কথা গুলো বলছিলেন,পটুয়াখালীর বাউফলে নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের সরুপজান বিবি (৭০) ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সকালে বড় ডালিমা কমউিনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সেবায় সুবিধাভোগী গ্রামের নাগরীক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে জাতীয় সংসদের সরকারী প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি স্থানীয় ও এমপি আসম ফিরোজ মতবিনিময়কালে সরুপজান বিবি তার কাছে ভাঙ্গা ভাঙ্গা কণ্ঠে কমিউিনিটি ক্লিনিকের সুবিধার কথা তুলে ধরেন। তখন উপস্থিত লোকজন ‘শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি ক্লিনিক বাঁচায় প্রান’ এই স্লোগান দিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ।
এ মতবিনিময় সভায় সভাপত্বি করেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহা। সভায়¡ নাজিরপুর তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নের ৭,৮ও৯ ওয়ার্ডের কয়েকশ নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।


















