বাউফলে ব্যবসায়ীকে মারধর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪
- / ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

ব্যবসায়ীকে মারধর, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং পরবর্তীতে সেই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী ফিরোজ মাতব্বর অভিযোগ করেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় চাঁদার টাকা না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতা সৌমিক, সৌমিকের ফুফাতো ভাই জাবির, জসিম আকন, শামিমসহ ৬/৭ জন সন্ত্রাসী একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর সামনে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে, আমার দোকান ভাঙচুর করে এবং দোকানের বেচা বিক্রি প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাউফল থানায় এ সংক্রান্ত অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্তের নামে কাল ক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে চাঁদাবাজী ও ভাঙচুরের ধারা বাদ দিয়ে মারামারির মামলা দায়েরের জন্য মানসিক ভাবে চাপ সৃষ্টি করে। এরপরে আমি পরবর্তীত এজাহার জমা দেই। এই সময় ক্ষেপনের সুযোগ নিয়ে হামলাকারী জাবির আহত হওয়ার মিথ্যা অভিনয় করিয়া আমার বিরুদ্ধে মারধর, ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্নের চেইন ছিনতাই মিথ্যা অভিযোগ দিলে সেটাকে এজাহার করেন ওসি। যেখানে আমাকে মারধর ও প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনার একাধিক নিরপেক্ষ সাক্ষী আছে, সেখানে কিভাবে আমার বিরুদ্ধে হামলাকারীরা মামলা এজাহার করতে পারেন? বিষয় আমার বোধগম্য নয়।
মারধর ও চাঁদাবাজীর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে সন্ত্রাসীদের কালো টাকার বিনিময়ে পুলিশ এই মিথ্যা মামলা গ্রহণ করতে পারে বলে জানান ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ফিরোজ মাতব্বর। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার সঠিক বিচার চাই এবং আমার বিরুদ্ধে দেয়া মিথ্যা মামলার প্রতিকার চাই। আমি যাতে সুখে শান্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি সে বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি। এসময় সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন ব্যবসায়ী ফিরোজ মাতব্বর।


















