ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক পেলেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ও কল্যান তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম । তিনি বাউফলের ৭নং বগা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক। তার বাবার নাম মৃত মোঃ কালু মৃধা, তার বাড়ি শাফলাখালী গ্রামে ।

জানাগেছে, শফিকুল ইসলামের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ও কল্যান তহবিল থেকে চলতি বছর ১৯ অক্টোবর দুই লাখ টাকার আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করে পত্র প্রেরণ করা হয়।(স্বারক নং০৩.০০৭.০৩৭.০০.০০.৪৪০.২০২৩(অংশ ১৯ অংশ-৪৩৯)-১৬৭২, চেক নং ৭৮২২২২৬ তারিখ ১৭.১০.২৩। প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার আফরোজা বিনতে মনসুর (গাজী লিপি)ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৭ নং বগা ইউনিয়ন যুবদলের কমিটির ৪নং যুগ্ম আহবায়ক। বাউফল উপজেলা যুবদলের তৎকালীন আহবায়ক  সাইফুল ইসলাম জসিম ও সিনিয়ির যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জুয়েল ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর  ও ওই কমিটির অনুমোদন করেন ।

এ ব্যাপারে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘যুবদল করলেও এখন আমি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। তবে কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের বরাদ্দ পেলেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এমপি মহোদয় (স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আসম ফিরোজ) পাইয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গত ৮ জুলাই আমার ওপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। এখনও আমি অসুস্থ। এমপি মহোদয় (আ ম ফিরোজ) আমাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। আমার চিকিৎসাও ফিরোজ ভাই করিয়েছেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে জসিম উদ্দিন বলেন,‘শফিকুল ইসলাম যুবদল নেতা এবং তাঁদের পরিবার বিএনপি করে। বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন,‘গত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় যুবদল নেতা শফিকুল ইসলামের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁকে যাঁরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রান ও কল্যান তহবিল হতে যুবদল নেতাকে টাকা পাইয়ে দেয় তাঁরা আওয়ামী লীগের শত্রæ। তাঁরা দলের মধ্যে থাকা খুনী মোসতাকের অনুসারী।

এ বিষয়ে এমপি আসম ফিরোজ বলেন,‘প্রধানমন্ত্রী কোনো দলের না। বিএনপির মহাসচিবও প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য নিয়ে বিদেশে চিকিৎসা করিয়েছেন। শফিকুল দুস্থ মানুষ হিসেবে আবেদন করেছে,সাহায্য পেয়েছে। আমি শুধু আওয়ামী লীগের এমপি না, আমি জনপ্রতিনিধিও। সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে দল বিবেচনা করি না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক পেলেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা!

আপডেট সময় : ০৮:২৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩

প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ও কল্যান তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম । তিনি বাউফলের ৭নং বগা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক। তার বাবার নাম মৃত মোঃ কালু মৃধা, তার বাড়ি শাফলাখালী গ্রামে ।

জানাগেছে, শফিকুল ইসলামের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ও কল্যান তহবিল থেকে চলতি বছর ১৯ অক্টোবর দুই লাখ টাকার আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করে পত্র প্রেরণ করা হয়।(স্বারক নং০৩.০০৭.০৩৭.০০.০০.৪৪০.২০২৩(অংশ ১৯ অংশ-৪৩৯)-১৬৭২, চেক নং ৭৮২২২২৬ তারিখ ১৭.১০.২৩। প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার আফরোজা বিনতে মনসুর (গাজী লিপি)ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৭ নং বগা ইউনিয়ন যুবদলের কমিটির ৪নং যুগ্ম আহবায়ক। বাউফল উপজেলা যুবদলের তৎকালীন আহবায়ক  সাইফুল ইসলাম জসিম ও সিনিয়ির যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জুয়েল ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর  ও ওই কমিটির অনুমোদন করেন ।

এ ব্যাপারে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘যুবদল করলেও এখন আমি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। তবে কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের বরাদ্দ পেলেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এমপি মহোদয় (স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আসম ফিরোজ) পাইয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গত ৮ জুলাই আমার ওপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। এখনও আমি অসুস্থ। এমপি মহোদয় (আ ম ফিরোজ) আমাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। আমার চিকিৎসাও ফিরোজ ভাই করিয়েছেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে জসিম উদ্দিন বলেন,‘শফিকুল ইসলাম যুবদল নেতা এবং তাঁদের পরিবার বিএনপি করে। বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন,‘গত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় যুবদল নেতা শফিকুল ইসলামের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁকে যাঁরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রান ও কল্যান তহবিল হতে যুবদল নেতাকে টাকা পাইয়ে দেয় তাঁরা আওয়ামী লীগের শত্রæ। তাঁরা দলের মধ্যে থাকা খুনী মোসতাকের অনুসারী।

এ বিষয়ে এমপি আসম ফিরোজ বলেন,‘প্রধানমন্ত্রী কোনো দলের না। বিএনপির মহাসচিবও প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য নিয়ে বিদেশে চিকিৎসা করিয়েছেন। শফিকুল দুস্থ মানুষ হিসেবে আবেদন করেছে,সাহায্য পেয়েছে। আমি শুধু আওয়ামী লীগের এমপি না, আমি জনপ্রতিনিধিও। সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে দল বিবেচনা করি না।’