ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে সুপারের অবহেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কর্পূরকাঠী মানছুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ নুরউল্লাহর অবহেলার কারণে লামিয়া নামের এক দাখিল শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আজ বুধবার(১৪ ফেব্রæয়ারি) ভুক্তভোগী দাখিল পরীক্ষার্থী লামিয়া এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় লামিয়া বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এবার সে পূণরায় বাংলা বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেন। সুপার নুরউল্লাহ ফরম পূরণের জন্য লামিয়ার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেন। কিন্তু সুপার ফরম পূরণ সম্পন্ন না করায় লামিয়ার প্রবেশপত্র আসেনি। মঙ্গলবার মাদ্রাসায় প্রবেশপত্র আনার জন্য গেলে সুপার নুরউল্লাহ ৩০০ টাকা নিয়ে অন্য এক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র লামিয়ার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এটা নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাও’। পরে লামিয়া বাড়ি ফিরে তার বাবা ও মাকে নিয়ে পূনরায় সুপারের কাছে গিয়ে নিজের প্রবেশপত্র চাইলে সুপার ভুল হয়েছে বলে তাদের কাছে ক্ষমা চান।

লামিয়া বলেন, যে কোনো ভাবে আমি এবারের পরীক্ষায় অংশ নিতে চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী খবর বাউফলকে বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ওই মাদ্রাসার সুপারকে কৈফয়ত তলব করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে সুপারের অবহেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কর্পূরকাঠী মানছুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ নুরউল্লাহর অবহেলার কারণে লামিয়া নামের এক দাখিল শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আজ বুধবার(১৪ ফেব্রæয়ারি) ভুক্তভোগী দাখিল পরীক্ষার্থী লামিয়া এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় লামিয়া বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এবার সে পূণরায় বাংলা বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেন। সুপার নুরউল্লাহ ফরম পূরণের জন্য লামিয়ার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেন। কিন্তু সুপার ফরম পূরণ সম্পন্ন না করায় লামিয়ার প্রবেশপত্র আসেনি। মঙ্গলবার মাদ্রাসায় প্রবেশপত্র আনার জন্য গেলে সুপার নুরউল্লাহ ৩০০ টাকা নিয়ে অন্য এক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র লামিয়ার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এটা নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাও’। পরে লামিয়া বাড়ি ফিরে তার বাবা ও মাকে নিয়ে পূনরায় সুপারের কাছে গিয়ে নিজের প্রবেশপত্র চাইলে সুপার ভুল হয়েছে বলে তাদের কাছে ক্ষমা চান।

লামিয়া বলেন, যে কোনো ভাবে আমি এবারের পরীক্ষায় অংশ নিতে চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী খবর বাউফলকে বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ওই মাদ্রাসার সুপারকে কৈফয়ত তলব করা হয়েছে।