ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে স্বাস্থ্যকর্মীদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩
  • / ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মাল্টি হেলথ ভলান্টিয়াদের (এমএইচভি) বেতনের টাকা খরচ দেখিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ২২ জুন বিকেলে এমএইচভি কর্মীরা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

জানা যায় , বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে ২০২০ সালের মে মাসে ২৮০ জন এমএইচভি নিয়োগ দেয়া হয়। ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত জনপ্রতি সরকার ১ বছরের বেতন বাবদ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার (২২ জুন) ওই টাকা উত্তোলন করতে গেলে অলিখিত ভ্যাট ট্যাক্স ও অডিট খরচ দেখিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জনপ্রতি ১২শ’ টাকা করে কেটে রেখে ৪২ হাজার টাকা প্রদান করলে কয়েকজন এমএইচভি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা (পিকে সাহা) বলেন, অলিখিত কিছু ভ্যাট ট্যাক্স আছে, অফিস খরচ আছে, অডিট খরচ আছে এজন্য কিছু টাকা রাখা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. কবির হাসান বলেন, এমএইচভি কর্মীদের সঙ্গে জেলায় কোন সম্পর্ক নেই এটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেখেন তাই তিনি ভালো বলতে পারবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে স্বাস্থ্যকর্মীদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মাল্টি হেলথ ভলান্টিয়াদের (এমএইচভি) বেতনের টাকা খরচ দেখিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ২২ জুন বিকেলে এমএইচভি কর্মীরা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

জানা যায় , বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে ২০২০ সালের মে মাসে ২৮০ জন এমএইচভি নিয়োগ দেয়া হয়। ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত জনপ্রতি সরকার ১ বছরের বেতন বাবদ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার (২২ জুন) ওই টাকা উত্তোলন করতে গেলে অলিখিত ভ্যাট ট্যাক্স ও অডিট খরচ দেখিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জনপ্রতি ১২শ’ টাকা করে কেটে রেখে ৪২ হাজার টাকা প্রদান করলে কয়েকজন এমএইচভি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা (পিকে সাহা) বলেন, অলিখিত কিছু ভ্যাট ট্যাক্স আছে, অফিস খরচ আছে, অডিট খরচ আছে এজন্য কিছু টাকা রাখা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. কবির হাসান বলেন, এমএইচভি কর্মীদের সঙ্গে জেলায় কোন সম্পর্ক নেই এটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেখেন তাই তিনি ভালো বলতে পারবেন।