সংবাদ শিরোনাম :
নতুন রূপে কুয়াকাটা
রইসুল ইমন
- আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০২৩
- / ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে

লক্ষাধিক পর্যটক আগমনের আশায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং রঙ তুলির আচরে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে কুয়াকাটার হোটেল মোটেল। এদিকে দীর্ঘদিন সৈকতের মানুষের পদচারনায় না থাকায় ডানা মেলেছে প্রকৃতি। ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকরাই এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন বলে দাবি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।
বছরের বারো মাসই কমবেশি পর্যটকের উপস্থিতি থাকে পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাট সমুদ্র সৈকতে। তবে এ বছর পুরো রমজান মাস জুড়ে বন্ধ রয়েছে সকল হোটেল মোটেল। পর্যটক শূন্য রয়েছে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত। দীর্ঘদিন পর্যটকদের পদচারনা না থাকায় সৈকতের বালুচরে ডানা মেলেছে প্রকৃতি। গুল্ম লতায় ছেয়ে গেছে সৈকতের বিভিন্ন স্থান। ফুটেছে নতুন ফুল। এছাড়া রয়েছে সাদা ঝিনুক এবং লাল কাকড়ার অবাধ বিচরন। লাল কাকড়ার আলপনা যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। মোটকথা প্রকৃতি তার নতুন রূপে সেজেছে। এবার ঈদে কুয়াকাটায় আগত পর্যটরাই উপভোগ করতে পারবেন এ মনকাড়া দৃশ্য। এবছর ঈদের ছুটিতে আগের সকল রেকর্ড ভেঙে বেশি সংখ্যক পর্যটকের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাই অনেকে রং তুলির আচড়ে নতুন আদলে গড়ে তুলেছেন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

কুয়াকাটার খাবার হোটেল ব্যবসায়ী রুমি শরীফ জানান, আমাদের রমজানের এই একমাস দোকান বন্ধ রয়েছে। পর্যটক না থাকার আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছি। এতে আমরা লোকসানের মুখে পড়েছি। তবে ঈদের পরে লক্ষাধিক পর্যটক আগমনের আশা করছি আমরা। তাই আমরা একেবারে নতুন রূপে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাজিয়েছি।
হোটেল ফ্রেন্ডস পার্কের মালিক আরিফ সুমন জানান, ইতিমধ্যে ঈদের দিন বিকাল থেকেই আমাদের অনেক রুম বুকিং হয়ে গেছে। বিকেলের মধ্যে আশা করছি আমার হোটেলের সকল রুম বুকিং হয়ে যাবে। কুয়াকাটায় এবার আগত পর্যটকরা সৈকতের নতুন প্রকৃতি উপভোগ করতে পারবে।
ওয়ার্ল্ড ফিসের সহকারী জীব বৈচিত্র্য গবেষক সাগরিকা স্মৃতি পর্যবেক্ষণকে বলেন, দীর্ঘদিন সৈকতে মানুষের বিচরন না থাকায় প্রকৃতি তার নিজের রূপে সেজেছে। তাই এ জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ পর্যবেক্ষণকে বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর এই প্রথম ঈদের ছুটি পাচ্ছে দেশবাসী। তাই এবার কুয়াকাটায় ব্যাপক পর্যটক আগমন ঘটবে। আমরা আগতদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি।
রইসুল ইমন



















