ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৫৮০ বার পড়া হয়েছে

বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের পশ্চিম ছিটকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গত ৫ আস্ট বিকালে স্থানীয় ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এরপর থেকে ওই শিক্ষক তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

শিক্ষক তসলিমা আক্তার বলেন, ৫ আগস্ট স্থানীয় আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল অহেদ সাকুরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসীরা তার বাসার কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে।

তাসলিমা আক্তার আরও জানান, একটি সালিস বৈঠকে তার স্বামী উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির পক্ষে কথা বলেন। একারণে সাকুর তার উপর ক্ষুব্দ হন। ওই সালিস বৈঠকে সাকুর প্রতিপক্ষের পক্ষ নিয়েছিল।

বাউফলের ইউএন বশির গাজী বলেন, থানা পুলিশের কার্যক্রম না থাকায় আমি ওই শিক্ষককে শান্তনা ছাড়া কোন উপকার করতে পারিনি। প্রশাসনে অস্থিরতা কেটে গেলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিব। এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

বাউফল(পটুয়াখালী )প্রতিনিধি॥
বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের পশ্চিম ছিটকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গত ৫ আস্ট বিকালে স্থানীয় ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এরপর থেকে ওই শিক্ষক তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

শিক্ষক তসলিমা আক্তার বলেন, ৫ আগস্ট স্থানীয় আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল অহেদ সাকুরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসীরা তার বাসার কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে।

তাসলিমা আক্তার আরও জানান, একটি সালিস বৈঠকে তার স্বামী উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির পক্ষে কথা বলেন। একারণে সাকুর তার উপর ক্ষুব্দ হন। ওই সালিস বৈঠকে সাকুর প্রতিপক্ষের পক্ষ নিয়েছিল।

বাউফলের ইউএন বশির গাজী বলেন, থানা পুলিশের কার্যক্রম না থাকায় আমি ওই শিক্ষককে শান্তনা ছাড়া কোন উপকার করতে পারিনি। প্রশাসনে অস্থিরতা কেটে গেলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

আপডেট সময় : ০৫:১৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের পশ্চিম ছিটকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গত ৫ আস্ট বিকালে স্থানীয় ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এরপর থেকে ওই শিক্ষক তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

শিক্ষক তসলিমা আক্তার বলেন, ৫ আগস্ট স্থানীয় আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল অহেদ সাকুরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসীরা তার বাসার কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে।

তাসলিমা আক্তার আরও জানান, একটি সালিস বৈঠকে তার স্বামী উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির পক্ষে কথা বলেন। একারণে সাকুর তার উপর ক্ষুব্দ হন। ওই সালিস বৈঠকে সাকুর প্রতিপক্ষের পক্ষ নিয়েছিল।

বাউফলের ইউএন বশির গাজী বলেন, থানা পুলিশের কার্যক্রম না থাকায় আমি ওই শিক্ষককে শান্তনা ছাড়া কোন উপকার করতে পারিনি। প্রশাসনে অস্থিরতা কেটে গেলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিব। এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

বাউফল(পটুয়াখালী )প্রতিনিধি॥
বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের পশ্চিম ছিটকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক ৭দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গত ৫ আস্ট বিকালে স্থানীয় ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এরপর থেকে ওই শিক্ষক তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

শিক্ষক তসলিমা আক্তার বলেন, ৫ আগস্ট স্থানীয় আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল অহেদ সাকুরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসীরা তার বাসার কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে।

তাসলিমা আক্তার আরও জানান, একটি সালিস বৈঠকে তার স্বামী উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির পক্ষে কথা বলেন। একারণে সাকুর তার উপর ক্ষুব্দ হন। ওই সালিস বৈঠকে সাকুর প্রতিপক্ষের পক্ষ নিয়েছিল।

বাউফলের ইউএন বশির গাজী বলেন, থানা পুলিশের কার্যক্রম না থাকায় আমি ওই শিক্ষককে শান্তনা ছাড়া কোন উপকার করতে পারিনি। প্রশাসনে অস্থিরতা কেটে গেলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিব।