ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য পারি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৫০০ বার পড়া হয়েছে

বেঁচে থাকার জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি জন্য প্রতিদিনের লড়াই করতে হয় পটুয়াখালীর বাউফলের তেতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা বাসুদেবপাশা ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের ।বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার। নেই অন্যান্য কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা।

বাসুদেবপাশা গ্রামের এই ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের বসবাস। অথচ এখানে বিশুদ্ধ পানি উত্তোলনে নেই কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা। তাই খাবার পানির জন্য হাহাকার করে একরকম বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছেন এখানকার বাসিন্দারা। তারা জানান, বিশুদ্ধ খাবার পানি আনতে ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ।

শুধু তাই নয়, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে ডায়রিয়া, কলেরা’র মতো বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ভুগছে এ চরের শিশুরা। এদিকে হাতের কাছে ডাক্তার বা হাসপাতাল না থাকায় এখানকার বাসিন্দারা যেন রয়েছেন আরো ঝুঁকিতে। ওষুধের প্রয়োজন হলে নৌপথ পারি দিয়ে যেতে হয় ধুলিয়া ইউনিয়নে।

এমনকি ১৯৭৫ সাল থেকে এই চরে মানুষ বসবাস শুরু করলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ সুবিধা। নেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে একসময় এই চরে কয়েকটি গভীর নলকূপ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো। ২০১৭ সালের দিকে তেতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, ‘বাসুদেবপাশা চরের সাথে আসলে আমাদের মূল ভূখণ্ডের তেমন যোগাযোগ মাধ্যম নেই। সেখানে তীব্র খাবার পানির সংকট ও স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত সমস্যা আছে। আমরা খুব দ্রুত চরের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য পারি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ

আপডেট সময় : ১২:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

বেঁচে থাকার জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি জন্য প্রতিদিনের লড়াই করতে হয় পটুয়াখালীর বাউফলের তেতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা বাসুদেবপাশা ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের ।বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার। নেই অন্যান্য কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা।

বাসুদেবপাশা গ্রামের এই ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের বসবাস। অথচ এখানে বিশুদ্ধ পানি উত্তোলনে নেই কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা। তাই খাবার পানির জন্য হাহাকার করে একরকম বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছেন এখানকার বাসিন্দারা। তারা জানান, বিশুদ্ধ খাবার পানি আনতে ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ।

শুধু তাই নয়, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে ডায়রিয়া, কলেরা’র মতো বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ভুগছে এ চরের শিশুরা। এদিকে হাতের কাছে ডাক্তার বা হাসপাতাল না থাকায় এখানকার বাসিন্দারা যেন রয়েছেন আরো ঝুঁকিতে। ওষুধের প্রয়োজন হলে নৌপথ পারি দিয়ে যেতে হয় ধুলিয়া ইউনিয়নে।

এমনকি ১৯৭৫ সাল থেকে এই চরে মানুষ বসবাস শুরু করলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ সুবিধা। নেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে একসময় এই চরে কয়েকটি গভীর নলকূপ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো। ২০১৭ সালের দিকে তেতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, ‘বাসুদেবপাশা চরের সাথে আসলে আমাদের মূল ভূখণ্ডের তেমন যোগাযোগ মাধ্যম নেই। সেখানে তীব্র খাবার পানির সংকট ও স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত সমস্যা আছে। আমরা খুব দ্রুত চরের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’