ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফল ভূমি অফিসে ঘুষ দাবির অভিযোগে কানুনগো-ভুক্তভোগীর বাকবিতণ্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৯০ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ দাবিকে কেন্দ্র করে ঘটে গেছে বাকবিতণ্ডার ঘটনা। রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগোর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৪০) প্রায় এক মাস আগে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নে একটি জমি ক্রয় করেন। জমির নামজারি আবেদন করার পর থেকে একাধিকবার তিনি উপজেলা ভূমি অফিসে আসলেও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিনের দাবি, কানুনগো মিজানুর রহমান নামজারির কাজে ঘুষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন,কানুনগো সাহেব আমাকে বলেছেন ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড ও ইউএনওকে টাকা দিতে হবে। আমি ঘুষ না দেওয়ায় আমার কাজ আটকে রাখা হয়েছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, তারপরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কানুনগো মিজানুর রহমান বলেন, আমি কোনো টাকা দাবি করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না । আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে ।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) আমিনুল ইসলামের কার্যালয়ে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফল ভূমি অফিসে ঘুষ দাবির অভিযোগে কানুনগো-ভুক্তভোগীর বাকবিতণ্ডা

আপডেট সময় : ০১:২২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ দাবিকে কেন্দ্র করে ঘটে গেছে বাকবিতণ্ডার ঘটনা। রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগোর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৪০) প্রায় এক মাস আগে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নে একটি জমি ক্রয় করেন। জমির নামজারি আবেদন করার পর থেকে একাধিকবার তিনি উপজেলা ভূমি অফিসে আসলেও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিনের দাবি, কানুনগো মিজানুর রহমান নামজারির কাজে ঘুষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন,কানুনগো সাহেব আমাকে বলেছেন ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড ও ইউএনওকে টাকা দিতে হবে। আমি ঘুষ না দেওয়ায় আমার কাজ আটকে রাখা হয়েছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, তারপরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কানুনগো মিজানুর রহমান বলেন, আমি কোনো টাকা দাবি করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না । আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে ।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) আমিনুল ইসলামের কার্যালয়ে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।