ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে চক্ষু চিকিৎসার নামে প্রতারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে ডাক্তার পরিচয়ে ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠান খুলে চক্ষু চিকিৎসা দিচ্ছেন এক মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দম্পতি। চোখের পরীক্ষা থেকে শুরু করে অপারেশন সবই করতে পারেন বলে চালানো হয় প্রচারণাও করছেন। বহুদিন ধরে গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা চললেও প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

জয়পুরহাটের মো. রাকিব মিয়া ও তার স্ত্রী রাজশাহীর জান্নাতুল ফেরদৌস যথাক্রমে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বিএমডিসি সনদ পান। তারা তিন বছর মেয়াদি মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এরপর স্থানীয় এক যুবক রাব্বির সহযোগিতায় দাশপাড়া ইউনিয়নের ল্যাঙরা মুন্সির পুল এলাকায় ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামে কেন্দ্র খুলে সাধারণ মানুষের চোখের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

সরেজমিনে তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকিব মিয়া বলেন, তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ‘এশিয়া ডিজিটাল চক্ষু হাসপাতালে’ মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। সেই হাসপাতালের অধীনে বাউফলে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন। তবে চাকরির কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় আমার করণীয় কী—সে ধরনের কোনো নির্দেশনা আমার কাছে নেই। আপনি ইউএনও বা এসিল্যান্ডকে জানান।”

অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান বলেন, “এমবিবিএস চিকিৎসক ছাড়া চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র চালানোর সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে চক্ষু চিকিৎসার নামে প্রতারণা

আপডেট সময় : ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

পটুয়াখালীর বাউফলে ডাক্তার পরিচয়ে ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠান খুলে চক্ষু চিকিৎসা দিচ্ছেন এক মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দম্পতি। চোখের পরীক্ষা থেকে শুরু করে অপারেশন সবই করতে পারেন বলে চালানো হয় প্রচারণাও করছেন। বহুদিন ধরে গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা চললেও প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

জয়পুরহাটের মো. রাকিব মিয়া ও তার স্ত্রী রাজশাহীর জান্নাতুল ফেরদৌস যথাক্রমে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বিএমডিসি সনদ পান। তারা তিন বছর মেয়াদি মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এরপর স্থানীয় এক যুবক রাব্বির সহযোগিতায় দাশপাড়া ইউনিয়নের ল্যাঙরা মুন্সির পুল এলাকায় ‘এশিয়া ডিজিটাল আই সেন্টার’ নামে কেন্দ্র খুলে সাধারণ মানুষের চোখের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

সরেজমিনে তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকিব মিয়া বলেন, তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ‘এশিয়া ডিজিটাল চক্ষু হাসপাতালে’ মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। সেই হাসপাতালের অধীনে বাউফলে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন। তবে চাকরির কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় আমার করণীয় কী—সে ধরনের কোনো নির্দেশনা আমার কাছে নেই। আপনি ইউএনও বা এসিল্যান্ডকে জানান।”

অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান বলেন, “এমবিবিএস চিকিৎসক ছাড়া চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র চালানোর সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”