ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও পর্যটনের জন্য কেন প্রয়োজন পটুয়াখালীতে বিমানবন্দর বাউফলে লঞ্চঘাটে লঞ্চের চাপে কিশোর আহত বাউফলে তরমুজ চুরির অপবাদে কৃষক নির্যাতনের পর মৃত্যু বাউফলে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধ, দুই যুবককে পিটিয়ে গুরুতর জখম গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বিয়েতে ‘ডিজেল উপহার’ বাউফলের সাবেক এমপিকে নিয়ে বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাউফলে যুবলীগ নেতার বাসায় ইফতার আয়োজন ঘিরে বিতর্ক, পুলিশের অভিযান বাউফলে কুরিয়ার কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে ৮৫ হাজার টাকা ছিনতাই ​বাউফলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দশমিনায় ভিজিএফের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে

বাউফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / ৯২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা বড় আকারের গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে গাছগুলো কাটা শুরু হলে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে।

জানা গেছে, উপজেলার দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বকুলতলা স্কুল) প্রাঙ্গণে থাকা তিনটি বড় রেইন ট্রি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী আমির হোসেন খাঁনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে ওঠা গাছগুলো হঠাৎ করে কেটে ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছ তিনটি অনেক পুরোনো ও বড় হওয়ায় এর বাজারমূল্য কমপক্ষে দেড় লাখ টাকা হতে পারে। কিন্তু তুলনামূলক কম দামে গাছ বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা ইয়াসমিন লিপি বলেন, গাছগুলো আমি নিজেই লাগিয়েছিলাম। গাছ কাটার খবর পেয়ে বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। আমার কাছে না জিজ্ঞেস করেই গাছগুলো কাটা হয়েছে । কোনো মাপামাপি বা ফয়সালা ছাড়া গাছগুলো কেটে অন্যায় করেছে ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আমির হোসেন খাঁন বলেন, এই জমি নিয়ে একাধিকবার মাপামাপি হয়েছে। গাছগুলো আমার ব্যক্তিগত জমির ভেতরে পড়েছে। তাই আমি গাছগুলো বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করা হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। যে ব্যক্তি গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত, তাকে আগামীকাল উপজেলা প্রশাসনে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাউফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা বড় আকারের গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে গাছগুলো কাটা শুরু হলে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে।

জানা গেছে, উপজেলার দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বকুলতলা স্কুল) প্রাঙ্গণে থাকা তিনটি বড় রেইন ট্রি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী আমির হোসেন খাঁনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে ওঠা গাছগুলো হঠাৎ করে কেটে ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছ তিনটি অনেক পুরোনো ও বড় হওয়ায় এর বাজারমূল্য কমপক্ষে দেড় লাখ টাকা হতে পারে। কিন্তু তুলনামূলক কম দামে গাছ বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা ইয়াসমিন লিপি বলেন, গাছগুলো আমি নিজেই লাগিয়েছিলাম। গাছ কাটার খবর পেয়ে বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। আমার কাছে না জিজ্ঞেস করেই গাছগুলো কাটা হয়েছে । কোনো মাপামাপি বা ফয়সালা ছাড়া গাছগুলো কেটে অন্যায় করেছে ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আমির হোসেন খাঁন বলেন, এই জমি নিয়ে একাধিকবার মাপামাপি হয়েছে। গাছগুলো আমার ব্যক্তিগত জমির ভেতরে পড়েছে। তাই আমি গাছগুলো বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করা হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। যে ব্যক্তি গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত, তাকে আগামীকাল উপজেলা প্রশাসনে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।