ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউফলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দাওয়াতি মজলিস অনুষ্ঠিত শিশু নিরাপত্তায় এখনই উদ্যোগ দরকার:অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী স্বপন বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সৈকত মোল্লার ইন্তেকাল বিনিয়োগ ও পর্যটনের জন্য কেন প্রয়োজন পটুয়াখালীতে বিমানবন্দর বাউফলে লঞ্চঘাটে লঞ্চের চাপে কিশোর আহত বাউফলে তরমুজ চুরির অপবাদে কৃষক নির্যাতনের পর মৃত্যু বাউফলে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধ, দুই যুবককে পিটিয়ে গুরুতর জখম গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বিয়েতে ‘ডিজেল উপহার’ বাউফলের সাবেক এমপিকে নিয়ে বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাউফলে যুবলীগ নেতার বাসায় ইফতার আয়োজন ঘিরে বিতর্ক, পুলিশের অভিযান

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড়ে অব. সেনা সদস্যকে ট্যাডা দিয়ে কুপিয়ে জখম

রইসুল ইসলাম ইমন
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১০২৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে অব. সেনা সদস্য মো. আলতাফ হোসেনকে (৪২) ট্যাডা (মাছ মারার চল) দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। এসময় তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে সিফাত হোসেনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

বুধবার (১২ এপ্রিল) উপজেলার বাউফল সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ, ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত একই এলাকার মিন্টু মৃধা’র জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে অব. সেনা সদস্য আলতাফের সাথে। ঘটনার দুইদিন আগে আলতাফের ভোগদখলীয় জমির বেড়া ভেঙ্গে ফেলে মিন্টু মৃধার ছেলে রাকিব হোসেন , একই বাড়ির আবু মুসা ও আজগর সুজন। এরপরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয় আপোষ মিমাংসার সিদ্ধান্ত নেয় দুই পক্ষ। ঘটনার দিন নিজ ভোগ দখলীয় জমিতে কাজ করতে যায় অব. সেনা সদস্য আলতাফ ও তার ছেলে সিফাত হোসেন। তখন সেখানে এসে তাদের গালিগালাজ করতে শুরু করেন রাকিব হোসেন। একপর্যায়ে আলতাফ ও রাকিব বাকবিতন্ডায় জড়ায়। তখন রাকিবের ডাকে তার মা রাজিয়া বেগম, চাচাতো ভাই আবু মুসা ও আজগর সুজন এসে ট্যাডা, রড ও লাঠি দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে আলতাফকে। বাবাকে বাঁচাতে ক্ষেত থেকে দৌড়ে রাস্তায় এলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে রাকিব গংরা।

অব. সেনা সদস্য মো. আলতাফ হোসেন বলেন, আমি সামরিক বাহিনীতে চাকরি করেছি। সবসময় সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করেছি। আমি আমার নিজের জমিতে কাজ করতে গিয়েও নিরাপদ না। আমাকে ট্যাডা দিয়ে কোপালো, কতটা হিংস্র তারা যে আমার ছেলেকেও পেটালো। ঈদের পরে আমি মিমাংসা করবো বলেছি, তারা রাজিও ছিলো। কেনো এরকম হামলা করলো আমি বুঝতেই পারছি না।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রাকিব হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোসা. মারজানা আফরিন বলেন, তার শরীরের এক যায়গায় কাটা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি ভর্তি আছেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আরিচুল হক বলেন, আমি কালকে একটু রাজনৈতিক ঝামেলার কারণে ব্যস্ত ছিলাম। লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। বাইরে আছি, থানায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা জাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড়ে অব. সেনা সদস্যকে ট্যাডা দিয়ে কুপিয়ে জখম

  1. মিন্টু মৃধা ও তার পরিবারের সবাই, কম হলেও বড়ো বড়ো ১৫টি মামলা আছে, মাডার মামলা আছে ২টা গাজা বাবা সহ মাদক দ্রব্য ব্যাবসা করে আসছে প্রায় ১০বছর প্রজন্ত, এদের পুলিশ ধরে কয়েক দিন পরে আবার ছারা পায়, এদের ভয়ে সাধারন মানুষ কোনো কথা বলে না

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড়ে অব. সেনা সদস্যকে ট্যাডা দিয়ে কুপিয়ে জখম

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩

পটুয়াখালীর বাউফলে অব. সেনা সদস্য মো. আলতাফ হোসেনকে (৪২) ট্যাডা (মাছ মারার চল) দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। এসময় তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে সিফাত হোসেনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

বুধবার (১২ এপ্রিল) উপজেলার বাউফল সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ, ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত একই এলাকার মিন্টু মৃধা’র জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে অব. সেনা সদস্য আলতাফের সাথে। ঘটনার দুইদিন আগে আলতাফের ভোগদখলীয় জমির বেড়া ভেঙ্গে ফেলে মিন্টু মৃধার ছেলে রাকিব হোসেন , একই বাড়ির আবু মুসা ও আজগর সুজন। এরপরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয় আপোষ মিমাংসার সিদ্ধান্ত নেয় দুই পক্ষ। ঘটনার দিন নিজ ভোগ দখলীয় জমিতে কাজ করতে যায় অব. সেনা সদস্য আলতাফ ও তার ছেলে সিফাত হোসেন। তখন সেখানে এসে তাদের গালিগালাজ করতে শুরু করেন রাকিব হোসেন। একপর্যায়ে আলতাফ ও রাকিব বাকবিতন্ডায় জড়ায়। তখন রাকিবের ডাকে তার মা রাজিয়া বেগম, চাচাতো ভাই আবু মুসা ও আজগর সুজন এসে ট্যাডা, রড ও লাঠি দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে আলতাফকে। বাবাকে বাঁচাতে ক্ষেত থেকে দৌড়ে রাস্তায় এলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে রাকিব গংরা।

অব. সেনা সদস্য মো. আলতাফ হোসেন বলেন, আমি সামরিক বাহিনীতে চাকরি করেছি। সবসময় সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করেছি। আমি আমার নিজের জমিতে কাজ করতে গিয়েও নিরাপদ না। আমাকে ট্যাডা দিয়ে কোপালো, কতটা হিংস্র তারা যে আমার ছেলেকেও পেটালো। ঈদের পরে আমি মিমাংসা করবো বলেছি, তারা রাজিও ছিলো। কেনো এরকম হামলা করলো আমি বুঝতেই পারছি না।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রাকিব হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোসা. মারজানা আফরিন বলেন, তার শরীরের এক যায়গায় কাটা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি ভর্তি আছেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আরিচুল হক বলেন, আমি কালকে একটু রাজনৈতিক ঝামেলার কারণে ব্যস্ত ছিলাম। লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। বাইরে আছি, থানায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা জাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।